Inqilab Logo

মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৩ বৈশাখ ১৪৩১, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৫ হিজরী

মালি ও আফগানিস্তানের সাথে মিল রেখে চাঁদপুরের দুই গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপন

অনলাইন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১ মে, ২০২২, ১১:২১ এএম

দেশের আগাম ঈদের প্রবক্তা চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের সাদ্রা ও শমেসপুর গ্রামের কিছু অংশের মানুষ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। রোববার (১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয় সাদ্রা হামিদিয়া ফাযিল মাদরাসা মাঠে।

জানা গেছে, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে নাইজার, মালি ও আফগানিস্তানে চাঁদ দেখা যাওয়া সাপেক্ষে আজ ঈদুল ফিতর পালিত হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাদরাসা মাঠে মুসল্লিদের নিয়ে ইমাম ঈদের খুতবা দিচ্ছেন। ঈদের জামাতের ইমামতি করেন সদ্রা দরবার পীর আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী। এছাড়া একই অনুসারীদের মধ্যে পটুয়াখালী, দিনাজপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, জামালপুর, মুন্সীগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নোয়াখালী ও বরিশালের কিছু এলাকায় পালিত হচ্ছে বলে দাবি করেন সাদ্রা দরবার শরীফের পীর আরিফ চৌধুরী।

এ বিষয়ে সাদ্রা দরবারের বড় পীরজাদা পীর ড. মুফতি বাকী বিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী বলেন, হানাফি, মালেকি ও হাম্বলি এ তিন মাজহাবের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হচ্ছে পৃথিবীর পশ্চিম প্রান্তেও যদি চাঁদ দেখা যায় আর সে সংবাদ যদি নির্ভরযোগ্য মাধ্যমে পৃথিবীর পূর্ব প্রান্তেও পৌঁছায়, তাহলে পূর্ব প্রান্তের মুসলমানদের জন্য রোজা রাখা ফরজ এবং ঈদ করা ওয়াজিব।

তিনি আরও বলেন, শনিবার আফগানিস্তান, নাইজার ও মালিতে চাঁদ দেখে গেছে। ওই সংবাদ নির্ভরযোগ্য ভিত্তিতে প্রাপ্ত হয়ে আজ আমরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করছি। পাশাপাশি ঢাকার সদরঘাটস্থ খানকা, আসকোনা এবং পটুয়াখালীর বদরপুর দরবার শরিফে ঈদের জামাত হয়েছে। চাঁদ দেখার বিষয়টি যথাসময়ে পৌঁছে দিতে না পারায় অনেক গ্রামে ঈদ উদযাপন হয়নি। তারা পরবর্তীতে ঈদ উদযাপন করবে।

উল্লেখ্য, আরব দেশগুলোর সঙ্গে সংগতি রেখে প্রতিবছর চাঁদপুরের তিনটি উপজেলার ৪০ গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়। সাদ্রা দরবার শরিফের অনুসারীরা ৯৩ বছর ধরেই প্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে সাদ্রাসহ ৪০টি গ্রামে ঈদ উদযাপন করে থাকে।



 

Show all comments
  • Mohmmed Dolilur ১ মে, ২০২২, ১২:০৮ পিএম says : 0
    দেশে আইন নাই,আইন যদি থাকতে এরা কিছুতেই ঈদ আগে করতে পারতেন না,ইসলামী আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রের হুকুম ছাড়া কিছু করলেই সেটি বরখালাপ,রাষ্ট্রীয় ভাবে সরকার চাঁদ দেখে সিদ্ধান্ত নিবে,রাষ্ট্রীয় অনুমতি ছাড়া কি করে নিজের ইচ্ছা কৃত ঈদ করবেন ,যেই দেশে জন্ম সেই দেশের অনুমতি নিবেন না, তাহা হইলে আর রাষ্ট্রের সম্মান রইল কোথায়,এই দরনের লোকদের আজকে নিষেধ করিলেই ভালো হবে,
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ঈদুল ফিতর


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ