Inqilab Logo

বুধবার, ২৬ জুন ২০২৪, ১২ আষাঢ় ১৪৩১, ১৯ যিলহজ ১৪৪৫ হিজরী

চিকিৎসা করাতে গিয়ে চরম দারিদ্র্যে ৫০ কোটি মানুষ

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১, ১২:১২ এএম

সরকারগুলোর প্রতি স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বাড়ানোর আহŸান জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান দুটি বলেছে, করোনা মহামারি শুরু হওয়ার আগেই চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে বিশ্বের ৫০ কোটির বেশি মানুষ চরম দারিদ্র্যের মধ্যে পড়ে যায়। আর করোনা মহামারি সেই পরিস্থিতিকে আরো খারাপ করেছে। ‘ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ ডে’ (সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা দিবস) উপলক্ষে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাবিøউএইচও) ও বিশ্বব্যাংক পরিপূরক দুটি গবেষণার ফল প্রকাশের পাশাপাশি যৌথ বিবৃতি দেয়। ডাবিøউএইচও ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২০ সালে করোনা মহামারির কারণে বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাপকভাবে বিঘিœত হয়। স্বাস্থ্য খাতের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়। এর ফলে টিকাদানের আওতা গত ১০ বছরের মধ্যে ব্যাপক মাত্রায় হ্রাস পায়। পাশাপাশি বেড়ে যায় য²া ও ম্যালেরিয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা। এই মহামারি ১৯৩০-এর দশকের পর সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সংকটের জন্ম দিয়েছে। এতে করে স্বাস্থ্যসেবার জন্য অর্থ ব্যয় করা মানুষের জন্য আরো কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে করোনা মহামারির আগেই ৫০ কোটি মানুষ চরম দারিদ্র্যের মধ্যে পড়ে যায়। তাদের অবস্থা আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে। তাই দেশগুলোর সরকারকে প্রত্যেক নাগরিকের চিকিৎসাসেবাপ্রাফিত নিশ্চিত করার জন্য প্রচেষ্টা জোরদার করতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসাস সরকারগুলোকে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর মনোযোগ বাড়াতে এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা গড়ে তোলার পদক্ষেপ নেওয়ার আহŸান জানান। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা বলতে বুঝিয়েছে, অর্থনৈতিক সংগতি থাক বা না থাক, সবাই স্বাস্থ্যসেবা পাবে। ডাবিøউএইচও মহাপরিচালক আরো বলেন, ‘মহামারির আগে অনেক দেশ স্বাস্থ্যসেবায় উন্নতি করেছিল। কিন্তু তা যথেষ্ট ছিল না। এই সময় আমাদের অবশ্যই সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার পথে এমনভাবে এগোতে হবে, যাতে পরের মহামারির মতো ধাক্কা সহ্য করার যথেষ্ট সক্ষমতা তৈরি হয়।’ নতুন এ প্রতিবেদনে সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়েছে, আয় কমে যাওয়ায় দারিদ্র্য বাড়লে অর্থনৈতিক সংকট আরো তীব্র হবে। বিশ্বব্যাংকের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যাবিষয়ক বৈশ্বিক পরিচালক হুুয়ান পাবলো উরিবে বলেন, কভিড মহামারির আগেও মানুষকে তার পারিবারিক বরাদ্দের ১০ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করতে হতো। এটা গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এতে দরিদ্ররা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই সরকারগুলোকে স্বাস্থ্যে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। ডাবিøউএইচও।

 

 



 

Show all comments
  • Abbas ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১, ৯:৪৪ এএম says : 0
    এচিত্রটি বাংলাদশের ক্ষেত্রে আরো ভয়াবহ। মানুষের অসুস্থতাকে পুজিঁ বানিয়ে বানিজ্য করা হয়।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: দারিদ্র্য

১৮ নভেম্বর, ২০২২
২৪ জানুয়ারি, ২০২১

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ