পশ্চিম তীরে সহিংসতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ
জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাহ মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনের
আবারও ফিলিস্তিনি জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার ঘোষণা করেছে সউদী আরব। দেশটি বলছে, তারা ফিলিস্তিনিদের পাশে রয়েছে এবং তাদের সব যৌক্তিক দাবি ও ফিলিস্তিন সংকট সমাধানে তাদের সমর্থন থাকবে।
গতকাল বুধবার অনলাইনে মন্ত্রিপরিষদের এক বিশেষ সভায় সউদী বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এ কথা বলেন।
বৈঠকে মন্ত্রীরা তাদের অতীত ইতিহাস স্মরণ করে দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে সউদী আরব সবসময় ন্যায়বিচারের পক্ষে ছিল। ফলে ১৯৬৭ সালে ফিলিস্তিনের জনগণ পূর্ব জেরুজালেমকে কেন্দ্র করে সীমান্তবর্তী এলাকায় একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছিল।
মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে আরও বলা হয়, ফিলিস্তিনিদের জন্য আমরা এমন একটি সমাধান চাই, যা আরব বিশ্বের শান্তি ও সংহতি রক্ষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য ও বিবেচিত হবে।
মঙ্গলবার যখন ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের চুক্তি করছিল, তখন সউদী আরব ফিলিস্তিনিদের পক্ষে নিজের অবস্থান তুলে ধরল। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশা প্রকাশ করে বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক স্থাপনে বাহরাইন ও আরব আমিরাতের পথ অনুসরণ করবে তারা। সউদী আরবের বাদশা সালমানের সঙ্গে কথা বলার পর হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন অন্যান্য রাষ্ট্রের সঙ্গে সউদী আরবও তেল আবিবের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করবে। সূত্র : টিআরটি ওয়ার্ল্ড
দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।