Inqilab Logo

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবন ১৪৩১, ১০ মুহাররম ১৪৪৬ হিজরী

গভীর রাতে ফেসবুক স্ট্যাটাস : ঘুমের ঔষধ হাতে নিয়ে ছবি দিয়ে আত্মাহত্যা করবেন নারী, ফেরালেন পুলিশ

কুড়িগ্রাম জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১:৩৬ পিএম

কুড়িগ্রাম পৌর শহরের মিস্ত্রি পাড়া এলাকায় জাকিয়া ফেরদৌসী (২৮) নামের এক নারী গভীর রাতে হতাশায় নিজেকে শেষ করবেন বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। পরে খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে ওই নারীর বাড়িতে গিয়ে জীবন বাঁচিয়েছেন কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে পৌরশহরে এ ঘটনা ঘটে।

ওই নারী তার ব্যক্তিগত ফেসবুকে লিখেন, "আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয় আমার পরিবার আমার পুরো জীবনটাকে শেষ করে দিয়েছেন। তারাই দায়ী আমার মৃত্যুর জন্য "

পুলিশ জানায়, জাকিয়া ফেরদৌসী (২৮) শহরের মিস্ত্রি পাড়া এলাকায় বাবা জুলফিকার আলীর বাড়িতে বসবাস করেন। ইতিমধ্যে তার দু-টি বিয়ে হলেও ডিভোর্স হয়ে যায় তার। পরে বাবার বাড়িতেই থাকেন তিনি। হতাশায় পরে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা চালান।
বিষয়টি (উক্ত নারীর সাথে ফেসবুক গ্রুপে সংযুক্ত) এক ব্যক্তির নজরে আসলে ৯৯৯ লাইনে কল করে জানান।

পরে কুড়িগ্রাম সদর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) জাহিদ হাসান স্থানীয় লোকজনদের অবহিত করে। এবং ওই নারীকে দ্রুত সনাক্ত করে স্থানীয় লোকজনসহ তার পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে জাকিয়া ফেরদৌসীকে কাউন্সিলিং করা হয়। জাকিয়া ফেরদৌসী সুস্থ রয়েছেন। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে তার পরিবারের সদস্যসহ স্থানীয় লোকজনদের সতর্ক করেন পুলিশ।

জাকিয়া ফেরদৌসী জানান, মানসিক হতাশা থেকেই তিনি উল্লেখিত পোস্টটি করেছেন। পরবর্তীতে এরকম ভুল হবে না বলে তিনি জানান।

কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোহাম্মদ শাহারিয়ার জানান, ওই নারী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক স্টাটাস দিয়ে লিখেন ঘুমের ঔষধ খেয়ে তিনি নিজেকে শেষ করবেন। বিষয়টি এক ব্যক্তির নজরে আসলে তিনি ৯৯৯ লাইনে কল করে জানান। পরে খবর পেয়ে আমরা তাকে সনাক্ত করে সুস্থভাবে উদ্ধার করি। এবং তাকে কাউন্সিলিং এর মাধ্যমে সু-পরামর্শ দেওয়া হয়।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: আত্মহত্যার চেষ্টা


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ