Inqilab Logo

সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১, ০৮ মুহাররম ১৪৪৬ হিজরী

শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার দায় কার?

প্রতি মাসে আত্মহত্যা করছে ৩৭ জন : আঁচল ফাউন্ডেশন

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩, ১২:০০ এএম

ইসলামের দৃষ্টিতে ‘আত্মহত্যা মহাপাপ’। সূরা আন নিসা’য় আল্লাহ বলেছেন, ‘তোমরা নিজেদের হত্যা করো না, নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের প্রতি পরম দয়ালু এবং যে কেউ সীমালংঘন করে আত্মহত্যা করবে তাকে অগ্নিতে দগ্ধ করা হবে’। ইতিহাসে দেখা যায় প্রাচীন গ্রিসে (৪৫২ খ্রিষ্টাব্দে) কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রের অনুমোদন ছাড়া আত্মহত্যা করলে তাকে সাধারণভাবে কবর দেয়া হতো না। ওই মৃত্যু ব্যক্তির লাশ তার আপনজনরা কবর দিতেন শহরের বাইরে অন্য কোনো জায়গায়। পাশাপাশি তার জন্য কোনো স্মৃতিফলকও ব্যবহার করা যেত না। এর অনেক পরে ফ্রান্সের চতুর্দশ লুই আত্মহত্যা বিষয়ে ফৌজদারি অধ্যাদেশ জারি করেছিলেন। সেই আদেশ অনুযায়ী, ‘যে ব্যক্তি আত্মহত্যা করত, তার লাশ রাস্তায় টেনে এনে মাথানিচু করে তাকে আবৃত করা হতো আবর্জনা দিয়ে। মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি জব্দ করা হতো।’ এখন আত্মহত্যার ওপর ‘বিধিনিষেধ’ আছে বলে জানা যায় না। ফলে বাংলাদেশে কয়েক বছর ধরে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতি এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি। সমাজবিজ্ঞানী ও অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘স্বপ্ন সৃষ্টি’ করতে না পারায় তারা হতাশা থেকে আত্মহত্যার পথ বেঁছে নিচ্ছে। ক্লাসে নৈতিকতা, মনীষীদের সংগ্রামী জীবন, লেখাপড়া শেষে চাকরির নিশ্চয়তা, বিপদে নিজেকে সামলে নেয়ার শিক্ষা ইত্যদি দেয়া হলে আত্মহত্যার প্রবণতা কমে আসত।

আঁচল ফাউন্ডেশন নামের একটি বেসরকারি সংস্থা জানিয়েছে ২০২২ সালে দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগামী শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতি মাসে গড়ে ৩৭ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। গতকাল শুক্রবার ‘স্কুল ও কলেজ শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার প্রবণতা; সমাধান কোন পথে’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটি এ তথ্য জানানো হয়। সংস্থাটির গবেষণায় বলছে, এক বছরে ৪৪৬ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। এর মধ্যে স্কুল ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থী রয়েছেন ৩৪০ জন। কলেজ ও সমমান পর্যায়ের আছে ১০৬ জন। আত্মহত্যাকারীদের মধ্যে শুধু মাদরাসার শিক্ষার্থী রয়েছে ৫৪ জন।

আত্মহত্যা নিয়ে একাধিক গবেষণায় জানা যায়, গত ৬ বছরে দেশের প্রায় ৭০ হাজার মানুষ আত্মহত্যা করেছেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে বাংলাদেশে আত্মহত্যা করেছেন ১০ হাজার ৭৪৯ জন, ২০১৭ সালে সারাদেশে আত্মহত্যা করেন ১০ হাজার ২৫৬ জন। ২০১৮ সালে ১১ হাজার জন, ২০১৯ সালে ১০ হাজারের বেশি মানুষ আত্মহত্যা করেছেন। আর ২০২০ সালে আত্মহত্যার সেই সংখ্যা দাঁড়ায় ১৪ হাজার ৪৩৬-এ। ২০২১ সালে ১১ হাজারের বেশি মানুষ আত্মহত্যা করেছেন। ২০২২ সালে আত্মহত্যার পরিসংখ্যান জানা না গেলেও এর সংখ্যা আগের চেয়ে যে বেশি হবে তা শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা নিয়ে আঁচল ফাউন্ডেশনের গবেষণায় বোঝা যায়। প্রশ্ন হচ্ছে মানুষ আত্মহত্যা করে কেন? বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম শিক্ষার্থী যারা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ তাদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি কেন? এর দায় সমাজ, রাষ্ট্র কি এড়াতে পারে?

আত্মহত্যার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষক অপরাধ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সমাজে যখন প্রতিযোগিতা বেড়ে যায়, মানুষের মনে চাপ বাড়ে, জীবন ধারণের চাপ বাড়ে তখন আত্মহত্যা করে। আত্মহত্যা এক ধরনের অপরাধ। একটা জীবনকে শেষ করে দেয়া আমাদের দেশের সমাজ ও আইন সেটাকে বৈধতা দেয়নি।’

সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, ডিপ্রেশনে (মানসিক চাপ) মানুষ আত্মহত্যা করে থাকে। দেশে কম বয়সি তথা শিক্ষার্থী ও তরুণদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি। শিক্ষাজীবন শেষ করার পর চাকরি না পাওয়া, জীবনের প্রতি হতাশা, প্রেমে ব্যর্থতা, নারীদের ক্ষেত্রে ধর্ষণের শিকার হওয়ায় সামাজিক লজ্জা, বিয়ের পর যৌতুকের টাকার জোগান দিতে না পারা, সামাজিক নিরাপত্তার অভাব, চরম দারিদ্র্য, পারিবারিক কলহসহ নানা কারণে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে। তরুণদের আত্মহত্যা প্রবণতা বাড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ অনলাইনভিত্তিক মিডিয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ইন্টারনেটভিত্তিক নানা ভিডিও বা বøগে আত্মহত্যায় প্ররোচনায় কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে থাকে। ফেসবুকে লাইফে গিয়ে আত্মহত্যার মতো ভয়াবহ ঘটনাও ঘটছে। এছাড়াও হীনম্মন্যতা তথা পারিবারিক চাপ ‘অমুকের ছেলের এই রেজাল্ট, তোর এরকম কেন?’ ‘অমুকের দুটো গাড়ি, আমাদের নেই কেন?’ ‘আমার কী নেই যে সে আমাকে ছেড়ে চলে গেল?’ ‘আমাকে এটা কিনে দিতে হবে, না দিলে...’ থেকেও ঘটে আত্মহত্যা। তবে বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের মধ্যে লেখাপড়া শেষে ভবিষ্যতে চাকরি না পাওয়ার অনিশ্চয়তা তাদের মৃত্যুর দিকে প্ররোচিত করে বেশি।

প্রতিবছর ১০ সেপ্টেম্বর ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ পালন করা হয়। এ নিয়ে গবেষণায় প্রমাণিত যে, মানসিক অসুস্থতা, বিশেষ করে বিষণœতা, ব্যক্তিত্ব ও আবেগের সমস্যা, মাদকাসক্তি আর সিজোফ্রেনিয়ায় যারা ভুগছেন; তাদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি। পৃথিবীতে বছরে ৮ লাখ মানুষ আত্মহত্যা করে থাকেন। প্রতি ৪০ সেকেন্ডে একজন আত্মহত্যা করেন। বাংলাদেশে বছরে গড়ে ১০ হাজার জন আত্মহত্যা করেন। উন্নত দেশগুলোতে একাকিত্বের কারণে আত্মহত্যা বেশি হলেও বাংলাদেশে যৌতুক ও পারিবারিক নির্যাতন, আবেগ নিয়ন্ত্রণের ব্যর্থতা, দাম্পত্যকলহ, উত্ত্যক্তকরণ, প্রেম ও পরীক্ষায় ব্যর্থতা, দারিদ্র্য ও বেকারত্ব, আত্মহত্যার উপকরণের সহজপ্রাপ্যতা, মানসিক অসুস্থতা ইত্যাদি কারণে বেশির ভাগ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে থাকে। প্রচারমাধ্যমে আত্মহত্যার সংবাদের অতিপ্রচার, অপপ্রচার বা অদায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের কারণেও কখনো কখনো আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ছে বলে বিশেষজ্ঞরা অভিযোগ তুলেছেন।

গতকাল শুক্রবার আঁচল ফাউন্ডেশনের ‘স্কুল ও কলেজ শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার প্রবণতা : সমাধান কোন পথে’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের (সমমানের মাদরাসা শিক্ষার্থীসহ) ৪৪৬ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। এর মধ্যে স্কুল ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থী রয়েছেন ৩৪০ জন। কলেজ ও সমমান পর্যায়ের আছে ১০৬ জন। আত্মহত্যাকারীদের মধ্যে শুধু মাদরাসাগামী শিক্ষার্থী রয়েছে ৫৪ জন।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক তাহমিনা ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, শিক্ষার্থীদের এ আত্মহত্যার তথ্যের মধ্য দিয়ে সচেতন সমাজের কাছে বার্তা দেয়া হচ্ছে যে শিক্ষার্থীরা ‘সাফার’ করছে। এজন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন ব্যবস্থা থাকা দরকার, যেখানে বা যার কাছে শিক্ষার্থীরা তাদের কষ্টের কথাগুলো বলতে পারে। তার মতে, আত্মহত্যার আগে শিক্ষার্থীরা প্রচÐ মানসিক কষ্টে থাকে। ওই সময় কোনো শিক্ষকের কাছে কষ্টের কথা বলার সুযোগ পেলে আত্মহত্যার প্রবণতা কমবে। এ ছাড়া মা-বাবা হিসেবে সন্তানকে সময় দেয়া এবং তাদের চাওয়া-পাওয়ার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ছাড়াও গত বছর ৮৬ জন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার তথ্য পাওয়া গেছে।

আঁচল ফাউন্ডেশন বলছে, গত বছর আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বড় একটি অংশ (২৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ) এই পথ বেছে নিয়েছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মান-অভিমানের কারণে। ২৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ স্কুল ও কলেজ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন অভিমানের করে। এ ছাড়া প্রেমঘটিত কারণে ২৩ দশমিক ৩২ শতাংশ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। আবার আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ায় ৪ জন, শিক্ষকের মাধ্যমে অপমানিত হয়ে ৬, গেম খেলতে বাধা দেয়ায় ৭, পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে ২৭ জন আত্মহত্যা করেছে। এ ছাড়া মুঠোফোন কিনে না দেয়ায় ১০ জন, মোটরসাইকেল কিনে না দেয়ায় ৬ শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে।

ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট শাহরিনা ফেরদৌস সংবাদ সম্মেলনে বলেন, চকলেট, জুসসহ শিশুরা যখন যা চায়, তখনই তা কিনে দিলে শিশুরা ধৈর্য ধারণ করতে শেখে না। পরবর্তী সময় তারা কিছু চেয়ে না পেলে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তাই ইতিবাচকভাবে সন্তান লালন-পালনের প্রতি জোর দেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আত্মহত্যা মোকাবিলা করতে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার সুযোগ বাড়ানো; সন্তানদের মানসিক বিকাশ এবং তাদের কথা সহানুভ‚তির সঙ্গে শুনতে ও বুঝতে অভিভাবকদের জন্য প্যারেন্টিং কার্যক্রম চালু করা; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রতি শিক্ষক-কর্মচারীদের আচরণ ও পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ণে কৌশলী ও সহানুভ‚তিশীল হতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা; স্কুল, কলেজ পর্যায়ে আত্মহত্যা প্রতিরোধী পোস্টার প্রদর্শন করা; প্রেম-প্রণয় ঘটিত সম্পর্কে বা অজ্ঞাতসারে ধারণ করা গোপন ছবি, ভিডিও ইত্যাদি প্রচার তথা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ভঙ্গ ও সাইবার অপরাধের বিষয়ে শাস্তি উল্লেখ করে বিশেষ প্রচারণাভিযানসহ ১১ দফা সুপারিশ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আঁচল ফাউন্ডেশনের সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা তথ্য লিখিত বক্তব্য আকারে উপস্থাপন করেন ফারজানা আক্তার।

কিশোর কিশোরী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মহত্যা ঠেকানোর উদ্যোগ গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, আত্মহত্যা একটি প্রতিরোধযোগ্য বিষয়। সঠিক সময়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে অবশ্যই আত্মহত্যা ঠেকানো যায়। আত্মহত্যা প্রতিরোধ করতে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। শিশুদের বিকাশের সময় তাদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা সফলতার মতো ব্যর্থতাকে মেনে নিতে পারে। আত্মহত্যার উপকরণ, যেমন ঘুমের ওষুধ, কীটনাশকের সহজলভ্যতা কমাতে হবে। প্রেসক্রিপশন ছাড়া ঘুমের ওষুধ বিক্রি বন্ধ করতে হবে। যেকোনো ধরনের মানসিক সমস্যা বা আত্মহত্যার ইঙ্গিত পেলে দ্রæত মনোরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে। এছাড়াও শিক্ষার্থীসহ যারা আত্মহত্যার চেষ্টা করেন, তাদের বেঁচে থাকার ভরসা নিশ্চয়তা দিতে হবে।



 

Show all comments
  • aman ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩, ৫:০৭ এএম says : 0
    সামাজিক অবক্ষয় সবচেয়ে বড় কারণ। যার কারণে সবার মাঝে একটা হতাশা কাজ করে। আমাদের রাষ্ট্র যদি সবাইকে নিরাপদে বাঁচার সুযোগ দিতো তাহলে কেউ আত্মহত্যা করতো না
    Total Reply(0) Reply
  • Mohmmed Dolilur ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩, ৩:১৫ এএম says : 0
    সরকারের।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohmmed Dolilur ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩, ৩:১৫ এএম says : 0
    সরকারের।
    Total Reply(0) Reply
  • মর্মভেদী ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩, ৫:০১ এএম says : 0
    আমি বলবো প্রথমতো আমাদের সমাজব্যবস্থা। সমাজব্যবস্থা ভালো হলে শিক্ষার্থীরা সব সময় আনন্দে থাকতো। তারা কখনো আত্মহত্যার কথা মনে করতো না
    Total Reply(0) Reply
  • Kma anar ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩, ৫:০৬ এএম says : 0
    সমাজ, রাষ্ট্র, পিতামাতা, বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়-স্বজন থেকে কেউ এর দায় এড়াতে পারে না।
    Total Reply(0) Reply
  • Nazmul ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩, ৫:০২ এএম says : 0
    আত্মহত্যা একটি প্রতিরোধযোগ্য বিষয়। সঠিক সময়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে অবশ্যই আত্মহত্যা ঠেকানো যায়। আত্মহত্যা প্রতিরোধ করতে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Nazmul ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩, ৫:০২ এএম says : 0
    শিশুদের বিকাশের সময় তাদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা সফলতার মতো ব্যর্থতাকে মেনে নিতে পারে।
    Total Reply(0) Reply
  • Hasan ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩, ৫:০৩ এএম says : 0
    শিক্ষার্থীসহ যারা আত্মহত্যার চেষ্টা করেন, তাদের বেঁচে থাকার ভরসা নিশ্চয়তা দিতে হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • প্রবাসী-একজন ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩, ১১:২৩ এএম says : 0
    আত্মহত্যার দায় ওই ব্যক্তির যে আত্মহত্যা করে; ইসলামে অন্য কারোর ওপর আত্মহত্যার দায় চাপানোর বিধান নেই।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: আত্মহত্যা

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ