পটুয়াখালীর যুবক ক্বারী সাইয়্যেদ মুসতানজিদ বিল্লাহ রব্বানীর কোরআন তেলাওয়াতে মুগ্ধ যুক্তরাষ্ট্রবাসী
ইসলামি সভ্যতা ও সংস্কৃতি বিকাশে বাংলাদেশের অবদান অনস্বীকার্য। এদেশে ইসলামি সংস্কৃতি চর্চার ইতিহাস অনেক প্রাচীন।
নগরীর কর্ণফুলী থানা এলাকায় প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে চার নারীকে ধর্ষণের ঘটনার সাতদিন পরেও মামলা না নেয়া এবং পরে একজন প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে মামলা নেয়ার ঘটনায় নিজেদের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ-সিএমপির কর্মকর্তারা। গতকাল (সোমবার) সংবাদ সম্মেলনে ডেকে প্রশ্নবাণে জর্জরিত সিএমপির উপ-কমিশনার (বন্দর) হারুন-উর-রশিদ হাযারী ধর্ষণের ঘটনায় তাৎক্ষণিক দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ক্ষেত্রে তাদের ব্যর্থতা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ঘটনার পর আমাদের যে ভূমিকা সেক্ষেত্রে, মামলা নেওয়া কিংবা আসামি গ্রেফতারের ক্ষেত্রে আংশিক ব্যর্থতা ছিল, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। যেহেতু ঘটনাটি খুবই স্পর্শকাতর, আরো গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ ছিল।
কর্ণফুলী থানার ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে হারুন-উর-রশিদ হাযারী বলেন, বিষয়টি সিএমপি কমিশনার স্যারকে জানাব। উনি এখন আসামি গ্রেফতারের বাইরে কোন কথাই শুনতে চাচ্ছেন না। তারপরও স্যার নিশ্চয়ই এই ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন। হারুন-উর-রশিদ হাযারী যখন ব্যর্থতা স্বীকার করে নিচ্ছিলেন, তখন এই কর্মকর্তার পাশেই বসেছিলেন ওসি ছৈয়দুল মোস্তফা। সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণে যখন জেষ্ঠ্য কর্মকর্তারা, তখন ওসি কখনো মুচকি হাসছিলেন আবার কখনো মাথা নিচু করে রাখেন। সংবাদ সম্মেলনের পুরো সময় ওসির বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ উঠলেও তিনি নিরুত্তর থাকেন।
সংবাদ সম্মেলনে একজন রিপোর্টার ওসির উদ্ধত আচরণের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, আমি নিজেই ওসিকে ধর্ষণের কথা বলেছিলাম। তখন ওসি আমাকে বলেছিলেন-সেখানে ডাকাতি হয়েছে, কোন ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি। আমি বললাম-ওসি সাহেব, আপনাকে আমি চ্যালেঞ্জ দিলাম। ওসি বলছেন-আপনার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম।
গত ১২ ডিসেম্বর গভীর রাতে কর্ণফুলীর বড়উঠান ইউনিয়নের শাহ মিরপুর গ্রামে একটি বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়ে বাড়ির চার নারীকে ধর্ষণ করে ডাকাতরা। চারজনের মধ্যে তিনজন প্রবাসী তিন ভাইয়ের স্ত্রী, অন্যজন তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসা ননদ। তিন ভাইয়ের স্ত্রী তাদের শাশুড়ি ও দুই সন্তান নিয়ে এই বাড়িতে থাকেন। ধর্ষিতা গৃহবধূদের একজন ছয় মাসের অন্তঃসত্ত¡া বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছিলেন।
এ ঘটনায় মামলা নিতে পুলিশের বিরুদ্ধে গড়িমসি করার অভিযোগের পর ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান জাবেদের নির্দেশে কর্ণফুলী থানা পুলিশ প্রায় সাতদিন পর মামলা নেয়। ততদিনে ধর্ষণের সব আলামত নষ্ট হয়ে যায়। ওই ঘটনায় এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা হলেন, মো. সুজন ওরফে আবু, মাহমুদ ফারুকী ও বাপ্পী।
দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।