পটুয়াখালীর যুবক ক্বারী সাইয়্যেদ মুসতানজিদ বিল্লাহ রব্বানীর কোরআন তেলাওয়াতে মুগ্ধ যুক্তরাষ্ট্রবাসী
ইসলামি সভ্যতা ও সংস্কৃতি বিকাশে বাংলাদেশের অবদান অনস্বীকার্য। এদেশে ইসলামি সংস্কৃতি চর্চার ইতিহাস অনেক প্রাচীন।
করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় চলমান লকডাউনের মধ্যেই দেশজুড়ে ১৪ এপ্রিল হতে কঠোর লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। এ সংক্রান্ত ঘোষণায় ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ। এর প্রভাব পড়েছে দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের উপর। এ রুটে চলাচলকারী ফেরিগুলোতে গাদাগাদি করে পার হচ্ছেন যাত্রীরা। অধিকাংশ যাত্রীর মধ্যেই সচেতনতার বালাই নেই।
গতকাল সরেজমিন দেখা যায়, দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ থাকায় ঢাকা ও এর আশপাশের জেলা শহরগুলো থেকে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ বিভিন্ন ছোট ছোট যানবাহনযোগে পাটুরিয়া ফেরি ঘাটে আসছেন। সেখান থেকে ফেরি পার হয়ে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে আসছেন।
দৌলতদিয়া আসার পর অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইজিবাইক, মাহিন্দ্রা, মোটরসাইকেল, নসিমন, পিকআপসহ বিভিন্ন যানবাহনে গাদাগাদি করে গন্তব্যস্থলের দিকে রওয়ানা করছেন তারা। সরকারিভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানার কথা বলা হলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে তা মেনে চলার কোন লক্ষণ দেখা যায়নি। রাজধানীর হোটেল ব্যবসায়ী আফছার উদ্দিন বলেন, চলমান কঠোর লকডাউনে এমনিতেই ব্যবসা মন্দা। তার উপর চোর-পুলিশ খেলে ব্যবসা চালানোও অসম্ভব। তাছাড়া সামনের কঠোর লকডাউন এবং রোজায় ব্যবসা এমনিতেই বন্ধ রাখতে হবে তাই আগে থেকেই চরম ঝুঁকি থাকা সত্তে¡ও স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে আগেই চলে আসলাম।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের (এজিএম) ফিরোজ শেখ বলেন, ঘাটে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। সরকার লকডাউনের ব্যাপারে আরও কঠোর হওয়ার ঘোষণা দেয়ায় মানুষ ঢাকা ছাড়ছে। আমরা চেষ্টা করছি মানুষকে যতটা সম্ভব স্বাস্থ্যবিধি মেনে পারাপার করতে।
দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।