উত্তর: শরীয়তের বিধান হলো, রমজানে শ্রমিকের কাজ কমিয়ে দেওয়া। আল্লাহ তায়ালা তখন এই মালিকের পাপের বোঝা কমিয়ে সহজে জান্নাত দিবেন। প্রয়োজনে দ্বিগুণ শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে হলেও জরুরী কাজ সম্পন্ন করতে হবে, কিন্তু তাদের রোজা রাখা থেকে বিরত করা যাবে না। যদি কেউ করে থাকে, তাহলে সে শাস্তিস্বরূপ প্রচুর দান খয়রাত করবে এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাইতে থাকবে। আর সংশ্লিষ্ট শ্রমিক রোজা কাযা করে নিবে।সূত্র: জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফতওয়া বিশ্বকোষ। উত্তর দিয়েছেন: মুফতি আল্লামা উবায়দুর রহমান খান নদভী...
উত্তর: মোবাইলে ইসলামী পোস্ট দেওয়া বা শেয়ার করা যদি মানুষকে ইসলাম সম্পর্কে জানানোর উদ্দেশ্যে হয়, তাহলে এতে নেকী পাওয়া যাবে। তবে শর্ত হলো, এতে কোনো নাজায়েজ বিষয়ের মিশ্রণ থাকতে পারবে না। নিছক দীন প্রচারের উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার উলামায়ে...
উত্তর : রোগাক্রান্ত হওয়ার কারণে কেউ যদি রোজা রাখতে না পারে তবে সে উক্ত দিন বা দিনগুলোর রোজার কাজা পরবর্তীতে আদায় করবে। কাফফারা দিতে হবে না। প্রমাণ : (১) আল কুরআন : সূরা বাকারাহ, আয়াত-১৮৪, (২) কাওকাবুদ্ দুরয়ী শরহে- কূদুরী :...
উত্তর: ইফতার যদি গিফটের মতো দেওয়া হয়, তাহলে গরীব ধনী সবাইকেই দেওয়া যায়। সবাই তা খেতেও পারে। যদি দানের নিয়ত করা হয়, তাহলে কেবল গরীবরাই তা খেতে পারে, ধনীরা নয়। ইফতার যে নিয়তেই দেওয়া হোক, সওয়াব পাওয়া যাবে। অবশ্য গরীবদের...
উত্তর : রোজা রাখা ফরজ। আর তারাবির নামাজ সুন্নত। এ দু’টি আমলের মর্যাদা ভিন্ন ভিন্ন। সওয়াব পাওয়ার আশার গর্ভবতী মহিলা যদি তারাবিহ নামাজ পড়েন- পড়তে পারেন। না পড়লে তার কোনো গোনাহ হবে না। প্রমাণ : (১) মুসনাদে আহমদ ও সুনানে নাসাঈ...
উত্তর : কোরআন আরবি লেখা দেখে পড়াই কর্তব্য। মুখস্থ পড়ার চেয়ে দেখে পড়ার সওয়াব দ্বিগুণ। একটি সওয়াব পড়ার, অপরটি কোরআনের হরফগুলো দেখার। বাংলা উচ্চারণ দেখে কোরআন পড়া কখনোই সহিহ হয়না। এতে অক্ষরের উচ্চারণ ভুল হয়ে কোরআনের অর্থ বিকৃত হওয়ার সম্ভাবনা...
উত্তর: একান্ত অনিচ্ছাসত্ত্বে এমন হলে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। প্রশ্নে বর্ণিত অবস্থায় রোজা ভাঙ্গেও না। তবে রোজা অবস্থায় এসব ব্রাউজিং যথাসাধ্য এড়িয়ে চলা উত্তম। রোজা রেখে ইচ্ছাকৃতভাবে অশ্লিল দৃশ্য, পোস্ট বা ভিডিও দেখলে শক্ত গোনাহ হবে। রোজার উপকারিতা ও...
উত্তর : হ্যাঁ, রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে। এই দিনের রোজার কাজা পরবর্তীতে আদায় করতে হবে। তবে হ্যাঁ, মাসিক শুরু হওয়ার পর দিনের অবশিষ্ট সময়টুকু পানাহার থেকে বিরত থাকা উত্তম। প্রমাণ : (১) ফতোয়ায়ে আলমগিরী খন্ড-২, যে কারণে রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়-...
উত্তর: শারীরিক অসুস্থতা দূরীভূত হওয়ার পর উভয় সময়কার রোজার কাজা আদায় করতে হবে। কাফফারা দিতে হবে না। প্রমাণ : (১) ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া : খন্ড-১, হায়েজ পরিচ্ছেদ পৃ: ২০১, আজমগড়, ১৯০১। (২) জাওহারাতুন নাইয়্যারাহ : পৃ: ৯৭, বৈরুত, ১৮৯৬। উত্তর দিচ্ছেন :...
উত্তর: পবিত্র কোরআনে যাকাত প্রদানের জন্য আল্লাহ তায়ালা ৮ টি খাত নির্ধারণ করে দিয়েছেন। এর মধ্যে, ‘ফি সাবিলিল্লাহ’ একটি খাত। আলেমরা একমত যে, এটি জিহাদের খাত। সরাসরি এতে টিভি, মিডিয়া, দল/সংগঠন ইত্যাদি পড়ে না। অতএব, অধিকাংশ উলামা বলেন উল্লেখিত এসব...
উত্তর: খাদ্য হালাল হলে বিধর্মী ব্যক্তির বাড়িতেও ইফতার করা যায়। বিধর্মী ব্যক্তি পরিচিত, কর্মচারী বা অপরিচিত যাই হোক না কেন, তাকে যাকাত দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে সাধারণ টাকা থেকে দান করতে হবে। যাকাত মুসলমানদেরই প্রাপ্য। কারণ যাকাত একটি ফরজ ইবাদত।...
উত্তর: গর্ভবতী ও দুগ্ধপোষ্য শিশুর মায়ের জন্য রোজা না রাখার অনুমতি আছে। তারা পরবর্তী সময়ে উক্ত রোজার কাযা আদায় করবে। কাফফারা দিতে হবে না। সূত্র: ক. আল কোরআন: সূরা বাকারাহ: আয়াত ১৮৪খ. সুনানে আবু দাউদ: রোজা না রাখার অনুমতি অধ্যায়, হযরত...
উত্তরঃ ইসলাম বলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রকৃতির সৃষ্টি নয়, বরং জল-স্থল, চন্দ্র-সূর্য, আলো-বাতাস তথা প্রকৃতির প্রতিটি উপাদানে যা ঘটে তা মহান আল্লাহর ‘কুন-ফায়াকুন’ এর ইশারায়। দুর্যোগ-দুর্ঘটনাও তার ইচ্ছারই বহিঃপ্রকাশ। বিপর্যয়ের জন্য দায়ী মানুষের কৃতকর্ম। সমাজে অন্যায়-অনাচার বেড়ে গেলেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা...
উত্তরঃ সত্যবাদিতা ঈমানের প্রথম ও প্রধান শর্ত। যেখানে সত্যবাদিতা নেই, সেখানে ঈমান নেই, ইসলামও নেই। আমরা নিজেদেরকে মুসলমান বলে দাবি করছি কিন্তু কয়জন সত্যবাদিতাকে জীবনের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছি ? যদি না করে থাকি তবে কি করে প্রকৃত মুসলামান হতে...
উত্তর: আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রামাদ্বান মাসকে বরণ করতে রজব মাস থেকেই অপেক্ষার প্রহর গুণতে থাকতেন। শাবান মাসকে রামাদ্বানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতির মাস হিসেবে কাজে লাগাতেন। বিশেষ করে শাবানের শেষার্ধকে অনেক গুরুত্ব দিতেন। রামাদ্বান মাস কবে শুরু হবে...