উত্তর: এ বিষয়টি আপনার চারপাশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার বিচারে বৈধ, অপচয় বা গোনাহ সবই হতে পারে। আপনি যদি নিজের ফরজ দায়িত্ব, যাকাত, সাদাকাহ, গরীবের হক সব ঠিকঠাক পালনের পর সহনীয় অর্থ ব্যয়ে পশু-পাখি পালন করেন, তাহলে এটি সরাসরি অবৈধ নয়। তবে ইসলামে প্রয়োজন ছাড়া কোনো পশু বা পাখিকে আটকে রাখা পছন্দনীয় নয়। কোনো পশু-পাখির বাচ্চাকে তার মা থেকে আলাদা করতে আল্লাহর রাসুল সা. নিষেধ করেছেন। একবার এক ব্যক্তি পাখির বাচ্চা ধরে নিয়ে এলে তিনি তাকে সেটি দ্রæত তার বাসায় রেখে এসে...
উত্তর: গোনাহ দু প্রকার। ক. সগীরা গোনাহ। খ. কবীরা গোনাহ। বড় গোনাহকে কবীরা এবং ছোট গোনাহ কে সগীরা গোনাহ বলে। সূত্র: আয়াযাওয়াযির: খন্ড ১, পৃ. ১৩১১ উত্তর দিয়েছেন: মাওলানা এ.কে.এম. ফজলুর রহমান মুন্শী...
উত্তর: পেশাব যেখানেই করুন, পবিত্রতা অর্জন একান্ত জরুরী। সুযোগ হলে পানি ব্যবহার করবেন। অন্যথায় মাটির ঢিলা, শুষে নেয় এমন বস্তু, টিস্যু বা অন্তত ইটের খোয়া দিয়ে পেশাবের শেষ ফোঁটাটি পরিষ্কার করতে হবে। এছাড়া তো কাপড় নাপাক হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়।...
উত্তর: তারাবী মসজিদে গিয়ে পড়া অন্যান্য ফরজ নামাজের মতে জরুরী নয়। অসুস্থ ব্যক্তি বাসায়ই তারাবী পড়তে পারেন। তারাবী এশার পর পড়া উত্তম। বাকী রাতটুকুর যে কোনো অংশেও পড়া যায়। সূত্র: জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফতওয়া বিশ্বকোষ।উত্তর দিয়েছেন: আল্লামা মুফতি উবায়দুর...
উত্তর: অবৈধ সম্পর্কের ফলে জন্মগ্রহণকারী সন্তান আদালতে প্রমাণ সাপেক্ষে তার জন্মদাতার পরিচয় ও সম্পদসহ সবকিছুরই অংশীদার হবে। পরে তার মা’কে বিবাহ করুক বা না করুক। তবে কোনো বিবাহিত নারী পরপুরুষের অবৈধ সন্তান জন্ম দিলে এ সন্তানের পরিচয় ও সম্পত্তি এই...
উত্তর: আসলে হাদীসে যেমন আছে লাইলাতুল কদরের সম্ভাবনা তেমনই। আপনি প্রতিটি বেজোড় রাতে সামান্য হলেও কিছু নফল নামায, তেলাওয়াত, দান-খয়রাত, তওবা-ইস্তেগফার, দোয়া-দুরুদ ও বিশেষ মোনাজাত করুন। বলা তো যায় না লাইলাতুল কদর কোনদিন। যে জন্য নবী করিম সা. রমজানের শেষ...
উত্তর: রমজানে রোজা ছাড়ার যে কয়েকটি কারণ পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে তার মধ্যে একটি সফরে থাকা। সফর অর্থ কমপক্ষে ৪৮ মাইল দূরে (কি.মি হিসাবে ৭২) ভ্রমণ করা। এর জন্য শর্ত হলো, কোথাও ১৫ দিনের কম থাকা। ১৫ দিন থাকার নিয়ত...
উত্তর: আপনার বাবার যে অবস্থা এমন মানুষ কাফফারাহ দিতে পারে। কাফফারাহ অর্থ নিজে রোজা না রাখতে পারায় প্রতি রোজার বদলে একটি ফিতরার সমান টাকা গরীবকে দান করা। এটি একজন রোজাদারকে ইফতার ও সাহরী বা দু’বেলা খানা খাওয়ানোর বিধান। কাফফারাহ একজনকেও...
উত্তর: শরীয়ত সম্মত কারণে রোজা রাখতে না পারলে রমজানের পর অন্য সময় তা কাযা করলে তারাবী পড়তে হবে না। কেননা, তারাবী মহানবী সা. কেবল রমজানের জন্যই সুন্নত করেছেন। তারাবী পড়ার উত্তম সময় ইশার পর থেকে মাঝরাত পর্যন্ত। কেউ যদি ইচ্ছে...
উত্তর: খুব প্রয়োজন ছাড়া শপিং না করাই ভালো। প্রয়োজনে রোজা রেখে শপিং করলে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না। পর পুরুষের সাথে শরীয়ত সম্মত প্রয়োজনে অনাকর্ষনীয় ভঙ্গিমায় কথা বলা যায়। এটা রোজা রেখেও করা যায়। নামাজের সময় শেষ হয়ে যেতে থাকলে...
উত্তর: লিপষ্টিক দিলে রোজা ভাঙ্গে না বা রোজার কোনো ক্ষতি হয় না। যদি তা কোনো কারণে পেটে চলে যায় তাহলে রোজা ভাঙ্গবে। পেস্ট দিয়ে দাঁত খুব সাবধানে মাজলে এবং এর কোনো অংশ পেটে চলে না গেলে রোজা ভাঙ্গে না। তবে...
উত্তর: মাহে রমজান ও অন্যান্য সময়ে নিম্নোক্ত দোয়া ও দরুদ সামর্থ অনুসারে বেশি পাঠ করা আবশ্যক। দোয়া নং ১:- আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুব্বুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নি। (মুসনাদে আহমাদ)দোয়া নং ২:- লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ। (সহীহ বুখারী)দরুদ নং ১:- সাল্লাল্লাহু...
উত্তর: এক অজু দিয়ে অধিক নামাজ পড়ার মধ্যে কোনো সওয়াব নেই। একাধিক ওয়াক্তের নামাজ এক অজু দিয়ে পড়ার বিষয়টিও কোনো ফযিলতের নয়। এমন অজু ভেঙ্গে গেলে কোনো ক্ষতিরও সম্ভাবনা নেই। স্বাভাবিকভাবে যদি অজু থেকে যায়, তাহলে তা দিয়ে যত ওয়াক্ত...
উত্তর: বাথরুম বা ট্রায়াল রুমে কিংবা একাকী নিজ কক্ষে কাপড় পাল্টানোর কারণে রোজা ভাঙ্গে না। তবে এ ধরনের আচরণে ক্ষেত্রভেদে রোজার ক্ষতি হয়। কোনো আড়াল ছাড়া পরিপূর্ণ বিবস্ত্র হওয়া শরীয়তে পছন্দনীয় নয়। এমনকি পেশাব পায়খানা বা একান্ত ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কাপড়...
উত্তর: বেগানা নারী/পুরুষের সাথে শরীয়ত সম্মত কারণ ছাড়া জরুরী আলাপচারিতাও নিষিদ্ধ। শরীয়ত সম্মতি দিলে প্রয়োজন পরিমাণ যোগাযোগ করা জায়েজ। এখানে যে ধরনের চ্যাটিং/ভিডিও চ্যাটিং ইত্যাদির কথা বলা হয়েছে, তা রোজা না রেখেও করা যাবে না। রোজা রেখে তো প্রশ্নই উঠে...