বিএনপির মানববন্ধন আজ, পাল্টা কর্মসূচি আওয়ামী লীগ
সারা দেশের মহানগর ও জেলা পর্যায়ে আজ মানববন্ধন করবে বিএনপি ও তার মিত্ররা। আর এ
ঈদকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ায় মসলার ব্যাপক চাহিদা বেড়েছে। মসলার বাজারে আগুন লেগেছে। এলাচি, গোলমরিচ আর জিরার ঝাঁজে সাধারণ মানুষের দম বন্ধ হয়ে আসছে। মসলার দাম শুনে আঁতকে উঠছেন নিম্নবিত্ত আয়ের মানুষরা।
জানা যায়, ১ কেজি এলাচির দাম ৩ হাজার টাকা। গোল মরিচের দাম এক হাজার টাকা কেজি। প্রতি কেজি জিরার দাম ৪০০ টাকা। দাম বেড়েছে দারুচিনি, লবঙ্গ, জায়ফল, জয়ত্রিসহ সব ধরনের মসলার। গরম মসলার বাজার এখন খুবই গরম। পেঁয়াজ, রসুন, আদা, মরিচ, হলুদের দামও কম নয়,আকাশ ছোঁয়া।
কুষ্টিয়া বিভিন্ন বাজার ঘুরে মসলার আকাশচুম্বী দাম দেখা যায়। ক্রেতারা জানায় বকরার ঈদ। গোস্ত রান্না করতে মসলা অবশ্যই প্রয়োজন। ঈদকে সামনে রেখে এক শ্রেনীর ব্যবসায়ীরা হঠাৎ করেই মসলার দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু উপায় নেই কিনতেই হবে। তাই বাধ্য হয়েই চড়া দামেই মসলা কিনছি।
ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদ আসার আগেই পাইকারী বাজারে সব ধরনের মসলার দাম বেড়ে গেছে। দেশী পেঁয়াজের দাম বেড়ে ৫২ টাকা হয়েছে। এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৪৬ থেকে ৪৮ টাকা। আমদানি করা নিম্নমানের ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকায়। খুচরা ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, কোরবানি ঈদে পিঁয়াজের চাহিদা বেশী থাকে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহে ঘাটতি থাকলে দাম কিছুটা বাড়ে। আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে। ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে দেশী রসুন। আদা কেজি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা। শুকনা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায়। একই দামে বিক্রি হচ্ছে শুকনা হলুদও। ঈদ ঘনিয়ে আসায় দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে ভেজাল মশলায় জেলার বাজার এখন সয়লাব। ভেজাল মরিচ, হলুদ, ঘি এবং মশলায় সয়লাব হয়ে গেছে কুষ্টিয়ার বাজার। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মসলা ব্যবসায়ীরা তৎপর হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন কারখানায় দিনরাত তৈরি হচ্ছে ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্য সামগ্রী। অসাধু ব্যবসায়ীদের পৃথক একাধিক সিন্ডিকেট নির্বিঘেœ মৌসুমি এ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। জেলা শহর ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন বাজারে গড়ে ওঠা অর্ধশতাধিক মিলে চলছে ভেজাল ও নিম্নমানের হলুদ, মরিচ, মশলা, ঘিসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্যসামগ্রী তৈরি ও বাজারজাতকরণ কার্যক্রম। এছাড়া মরিচ, হলুদ, মশলা গুঁড়া করার মিলগুলোতে আড়ালে চলছে ভেজাল পণ্য তৈরির কারবার। ধনে গুড়ার মাঝে চাউল ও খুদ ভেজে মিশিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। হলুদেও মেশানো হচ্ছে রঙ। রঙ মিশ্রিত এসব ধনে গুড়ো ও হলুদ গুড়ো বাজারজাত করা হচ্ছে।
দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।