বিএনপির মানববন্ধন আজ, পাল্টা কর্মসূচি আওয়ামী লীগ

সারা দেশের মহানগর ও জেলা পর্যায়ে আজ মানববন্ধন করবে বিএনপি ও তার মিত্ররা। আর এ
বিশেষ সংবাদদাতা : রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় ভবন নির্মাণসংক্রান্ত যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। আগে ছয়তলা ভবন তৈরির নিষেধাজ্ঞা ছিল, এখন তা তুলে নেয়া হয়েছে। গতকাল (রোববার) ঢাকার বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা-ড্যাপের এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, এখন রাজউকের অনুমতি নিয়ে হাতিরঝিল এলাকায় ছয়তলা ভবন করা যাবে। তবে হাতিরঝিলের সৌন্দর্য যেন নষ্ট না হয়, তা রক্ষা করতে হবে। হাতিরঝিল এলাকা বর্ধিত হবে। এ জন্য যদি কারো তিন কাঠা জমি অধিগ্রহণ করা হয়, তবে তিনি সাত কাঠা পাবেন। এই হারে সবাই ক্ষতিপূরণ পাবেন। তিনি জানান, ড্যাপের রিভিউ কমিটির প্রতিবেদন পেলে আরো অগ্রগতি জানাতে পারবেন। আগামী ৩-৪ মে পরবর্তী বৈঠকে এ ব্যাপারে জানাতে পারবেন। ওই বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হবে। কারণ ড্যাপ পর্যালোচনায় আমরা দুইটি কনসালটেশন ফার্ম নিয়োগ করেছি। এদের রিপোর্ট পাওয়ার পরই সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, হাতিরঝিল উন্নয়নের জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে ১৩৯ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। প্রথমে তারা জমি না দিতে চাইলেও পরে তাদেরকে হাতিরঝিলের মাহাত্ম বোঝানো হলে তারা রাজি হন। তাদের স্বার্থের কথা চিন্তা করেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কারণ তাদের জমির পরিধি কমে গেলে তারা যেন ওপরের দিকে ভবন বাড়াতে পারে সে ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে তাদের ক্ষতি অনেকাংশে কমে আসবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল হক মাহমুদ, নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেক, পানিসম্পদ সচিব ড. জাফর আহমেদ খান।
দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।