বিএনপির মানববন্ধন আজ, পাল্টা কর্মসূচি আওয়ামী লীগ
সারা দেশের মহানগর ও জেলা পর্যায়ে আজ মানববন্ধন করবে বিএনপি ও তার মিত্ররা। আর এ
আবারও উত্তপ্ত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের কয়েকটি প্রত্যন্ত সীমান্ত পোস্টে হামলায় ৩২ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ১১ জন ও হামলাকারী ২১ জন।
শুক্রবার ভোর রাতে 'রোহিঙ্গা উগ্রবাদীরা' এ হামলা চালিয়েছে বলে সেনাবাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ এএফপিকে জানিয়েছে।
কমান্ডার ইন চিফ মিন অং হ্লায়িং এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এক সেনা ও ১০ পুলিশ সদস্য দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন।’
সংঘর্ষ এখনো চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'সংঘর্ষে ২১ জন উগ্রবাদী নিহত হয়েছেন।'
এর আগে রাজ্য কাউন্সিলর অফিসের এক বিবৃতিতে বলা হয় শুক্রবার ভোররাতে প্রায় ১৫০ সন্ত্রাসী ২০ পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা চালানোর পর পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। এতে পাঁচ পুলিশসহ ১২ জন নিহত হন।
গত বছরের ৯ অক্টোবর মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকায় দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ক্যাম্পে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। বিচ্ছিন্নতাবাদীরা এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্য মারা যান। অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটের ঘটনা ঘটে। এর পর আবার একই ধরনের হামলার তথ্য দিল মিয়ানমার সরকার।
জাতিগত দ্বন্দ্বের জেরে ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে দেশটির উত্তর-পূর্ব রাখাইন রাজ্যে বসবাসরত মুসলিম রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপর সহিংসতা চালাচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী। জাতিগতভাবে নির্মূল করতে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের গ্রামে আগুন দিয়ে বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়াসহ গণহত্যা ও গণধর্ষণ চালায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
সহিংসতার শিকার হয়ে গত বছরের অক্টোবর থেকে এক পর্যন্ত ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
এর আগে ২০১২ সালের জুনেও মিয়ানমারে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় আক্রান্ত রোহিঙ্গারা দলে দলে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালায়। ওই সময় সরকার অনুপ্রবেশ ঠেকাতে শক্ত অবস্থান নেয়। যার ফলে ওই সময়ে সাড়ে পাঁচ হাজার রোহিঙ্গা পুশব্যাক করা হয়।
দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।