Inqilab Logo

শনিবার ৩০ নভেম্বর ২০২৪, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩১, ২৭ জামাদিউল সানী ১৪৪৬ হিজরি

শাকিব-অপুর সংসার ভাঙনে আমার কোনো হাত নেই -বুবলি

বিনোদন রিপোর্ট: | প্রকাশের সময় : ৬ ডিসেম্বর, ২০২২, ১২:০০ এএম

শাকিবের সঙ্গে প্রেম-বিয়ের আদ্যপান্ত প্রকাশ করলেন চিত্রনায়িকা বুবলি। গত রোববার এক ভিডিও বার্তায় তিনি শাকিবের সাথে পরিচয়, সম্পর্ক, বিয়ে এবং সন্তান নিয়ে বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন। ভিডিওতে কথা বলার শুরুতে বুবলি বলেন, কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন না। মানুষের কিছু প্রশ্নের উত্তর দেবেন। তিনি তার ক্যারিয়ারের শুরুর কথা বর্ণনা করে বলেন, ২০১৬ সালে আমি যখন চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করি তখন শাকিব খান (আমার স্বামী, আমার সন্তানের বাবা) মেন্টর হিসেবে গাইড করতেন। ওনার কারণে ফিল্মে আসা, ওনার মাধ্যমে আমার ফিল্মে কাজ করার সুযোগ হয়। ওই সময়ে শাকিব খান কারো সঙ্গে স¤পর্কে ছিলেন, এ খবর আমি যেমন জানতাম না, তেমনি সাধারণ মানুষও জানত না। বরং খবরে দেখেছি, তিনি বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছেন। ২০১৭ সালে তার বিয়ে-সন্তানের বিষয়গুলো সবার মতো আমিও জানতে পারি। তিনি বলেন, শাকিবের সঙ্গে সিনেমায় কাজ শুরু করার পরপরই স¤পর্ক তৈরি হয়েছে, বিষয়টি এমন নয়। তার সাথে প্রথম সিনেমা করতে গিয়ে ভালো লাগা তৈরি হয়েছে, তাও নয়। সময়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে আমাদের মাঝে ভালো লাগা তৈরি হয়। শুরুতে খুব বন্ধুত্ব বা প্রেম, এরকম কিছু ছিল না। কারণ, আমরা সবাই পেশাদারিত্বের জায়গাটি ঠিক রেখে কাজ করছিলাম। কিন্তু উনি চাচ্ছিলেন সেটল হতে। আমাকে উনি বলেছিলেন, সেটল হতে চান। বুবলি বলেন, তিনি অপু বিশ্বাসের সঙ্গে স¤পর্কে ছিলেন। অপু বিশ্বাস আমার অনেক সিনিয়র। অনেক বছর ধরে তিনি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন। তার সঙ্গে সামনাসামনি কখনো দেখা হয়নি। ২০১৭ সালে লাইভ অনুষ্ঠানে আসার আগে তিনি ফোন করে আমার সঙ্গে অনেক খারাপ ব্যবহার করেছিলেন। আমি জানতামও না, তিনি আমার সঙ্গে কেন এমনটা করছিলেন। কারণ, তিনি আমাকে কিছু জিজ্ঞাসাও করেননি, কোনো কিছু ক্রসচেকও করেননি। কিন্তু আমার সঙ্গে খুব বাজে ব্যবহার করেছিলেন। ওই মুহূর্তের জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। পরবর্তীতে কষ্ট থেকে এ বিষয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছিলাম। বুবলি বলেন, আমি যদি জানতাম শাকিব খান-অপু বিশ্বাস এমন জটিল সময় পার করছেন, তাহলে আমি এখানে কখনই যুক্ত হতাম না। সবকিছু জেনেশুনে কোনো ধরনের সমস্যা তৈরি করার মানসিকতা আমার নেই। যারা আমাকে কাছ থেকে দেখেছেন তারা বিষয়টি জানেন। বুবলি বলেন, আমি শাকিব খানকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। উনি অনেক আবেগপ্রবণ হয়ে বলেছিলেন, আমি অনেক দিন ধরেই এ বিষয়ে তোমার সঙ্গে কথা বলতে চাচ্ছিলাম। আমার কাছে মনে হয়েছে, এখানে তুমি স¤পৃক্ত নও। অথচ পরবর্তীতে আমাকেই দোষারোপ করা হলো। আমার কারণে নাকি শাকিব-অপুর সংসার ভেঙেছে। এটা ¯পষ্ট করে বলতে চাই, আমার কারণে কারো সংসার ভাঙেনি। বুবলি বলেন, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় অপু বিশ্বাস যখন গোপনে আড়ালে চলে যান তখন আমি ছিলাম না। শুনেছি, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় অপু বিশ্বাস অনেক কিছু খেতে চেয়েছেন। শাকিব খানের পরিবার থেকে নাকি দেওয়া হয়নি। ওই সময়েও তো আমি ছিলাম না। তারপরও আমাকে কেন দোষারোপ করা হয়? ফাইনালি শাকিব-অপুর বিয়েবিচ্ছেদ ঘটে। এটা তো তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। তারা দুজনেই ম্যাচিউরড। কারো প্ররোচণায় এই বিচ্ছেদ ঘটেছে এটা কি সম্ভব? আমি মনে করি সম্ভব না। বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত যদি তাদের দুজনের না থাকে তবে বাইরে থেকে কেউ এসে এটা করাতে পারে না। একজন মানুষ যদি একটা স¤পর্কে থাকার পর আরেকটি বিয়ে করে; যাকে বিয়ে করলেন এটা কি তার ভুল? বুবলি বলেন, শাকিব খান আমাকে বলেছিলেন, এই স¤পর্কে (শাকিব-অপু) আমি সুখী নই। তার জায়গা থেকে আরো অনেক কথা আমাকে বলেছিলেন। কিন্তু কারো কারো সম্মান রক্ষার্থে কথাগুলো আগেও বলিনি, এখনো বলছি না। শাকিব খান এটাও বলেছিলেন, একটি স¤পর্ক থেকে বেরিয়ে আমি যদি নতুন একটি স¤পর্কে জড়াই তাহলে সেখানে তো তোমার (বুবলী) কোনো দোষ নেই। আসলে শাকিব-অপুর সংসার ভাঙনে আমার কোনো হাত নেই। শাকিব-অপুর পুত্র জয়ের জন্মদিনে নিজের বেবি বা¤েপর ছবি প্রকাশ্যে আনেন বুবলী। এ বিষয়ে বুবলি বলেন, অনেকের প্রশ্ন, আমি কেন জয়ের (শাকিব-অপুর ছেলে) জন্মদিনে আমার বেবি বা¤েপর ছবি প্রকাশ করলাম। দেখুন, জয়ের ব্যাপারে আমি আমার স্বামী শাকিব খানকে কতটা পজিটিভলি দেখতে বলি, তা তিনি জানেন। ওনার যারা কাছের মানুষ, তারাও জানেন। জয়ের সুন্দর একটা ভবিষ্যতের জন্য সবরকম পরামর্শ আমি দিয়েছি। আমার বেবি বা¤েপর ছবি জয়ের জন্মদিনে প্রকাশ করেছি, তা ঠিক আছে। কিন্তু বিষয়টা এভাবে ভেবে করিনি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ
function like(cid) { var xmlhttp; if (window.XMLHttpRequest) {// code for IE7+, Firefox, Chrome, Opera, Safari xmlhttp=new XMLHttpRequest(); } else {// code for IE6, IE5 xmlhttp=new ActiveXObject("Microsoft.XMLHTTP"); } xmlhttp.onreadystatechange=function() { if (xmlhttp.readyState==4 && xmlhttp.status==200) { var divname = "clike_"+cid; //alert(xmlhttp.responseText); document.getElementById(divname).innerHTML=xmlhttp.responseText; } } var url = "https://old.dailyinqilab.com/api/insert_comment_like.php?cid="+cid; xmlhttp.open("GET",url,true); xmlhttp.send(); } function dislike(cid) { var xmlhttp; if (window.XMLHttpRequest) {// code for IE7+, Firefox, Chrome, Opera, Safari xmlhttp=new XMLHttpRequest(); } else {// code for IE6, IE5 xmlhttp=new ActiveXObject("Microsoft.XMLHTTP"); } xmlhttp.onreadystatechange=function() { if (xmlhttp.readyState==4 && xmlhttp.status==200) { var divname = "cdislike_"+cid; document.getElementById(divname).innerHTML=xmlhttp.responseText; } } var url = "https://old.dailyinqilab.com/api/insert_comment_dislike.php?cid="+cid; xmlhttp.open("GET",url,true); xmlhttp.send(); } function rlike(rid) { //alert(rid); var xmlhttp; if (window.XMLHttpRequest) {// code for IE7+, Firefox, Chrome, Opera, Safari xmlhttp=new XMLHttpRequest(); } else {// code for IE6, IE5 xmlhttp=new ActiveXObject("Microsoft.XMLHTTP"); } xmlhttp.onreadystatechange=function() { if (xmlhttp.readyState==4 && xmlhttp.status==200) { var divname = "rlike_"+rid; //alert(xmlhttp.responseText); document.getElementById(divname).innerHTML=xmlhttp.responseText; } } var url = "https://old.dailyinqilab.com/api/insert_reply_like.php?rid="+rid; //alert(url); xmlhttp.open("GET",url,true); xmlhttp.send(); } function rdislike(rid){ var xmlhttp; if (window.XMLHttpRequest) {// code for IE7+, Firefox, Chrome, Opera, Safari xmlhttp=new XMLHttpRequest(); } else {// code for IE6, IE5 xmlhttp=new ActiveXObject("Microsoft.XMLHTTP"); } xmlhttp.onreadystatechange=function() { if (xmlhttp.readyState==4 && xmlhttp.status==200) { var divname = "rdislike_"+rid; //alert(xmlhttp.responseText); document.getElementById(divname).innerHTML=xmlhttp.responseText; } } var url = "https://old.dailyinqilab.com/api/insert_reply_dislike.php?rid="+rid; xmlhttp.open("GET",url,true); xmlhttp.send(); } function nclike(nid){ var xmlhttp; if (window.XMLHttpRequest) {// code for IE7+, Firefox, Chrome, Opera, Safari xmlhttp=new XMLHttpRequest(); } else {// code for IE6, IE5 xmlhttp=new ActiveXObject("Microsoft.XMLHTTP"); } xmlhttp.onreadystatechange=function() { if (xmlhttp.readyState==4 && xmlhttp.status==200) { var divname = "nlike"; document.getElementById(divname).innerHTML=xmlhttp.responseText; } } var url = "https://old.dailyinqilab.com//api/insert_news_comment_like.php?nid="+nid; xmlhttp.open("GET",url,true); xmlhttp.send(); } $("#ar_news_content img").each(function() { var imageCaption = $(this).attr("alt"); if (imageCaption != '') { var imgWidth = $(this).width(); var imgHeight = $(this).height(); var position = $(this).position(); var positionTop = (position.top + imgHeight - 26) /*$("" + imageCaption + "").css({ "position": "absolute", "top": positionTop + "px", "left": "0", "width": imgWidth + "px" }).insertAfter(this); */ $("" + imageCaption + "").css({ "margin-bottom": "10px" }).insertAfter(this); } }); -->