পটুয়াখালীর যুবক ক্বারী সাইয়্যেদ মুসতানজিদ বিল্লাহ রব্বানীর কোরআন তেলাওয়াতে মুগ্ধ যুক্তরাষ্ট্রবাসী
ইসলামি সভ্যতা ও সংস্কৃতি বিকাশে বাংলাদেশের অবদান অনস্বীকার্য। এদেশে ইসলামি সংস্কৃতি চর্চার ইতিহাস অনেক প্রাচীন।
শুদ্ধ উচ্চারণ ও সুললিত কণ্ঠে আজান ও কেরাত চর্চায় অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে অন্যান্য বছরের মতো এবারও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) উদ্যোগে আজান ও কেরাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পিলখানায় বিজিবি সদর দফতরের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ২০ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত ৩ দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
বিজিবি সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, আজান প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত পর্বে রামু সেক্টর সদর দফতরের সিপাহী মো. জাকারিয়া প্রথম স্থান, খাগড়াছড়ি সেক্টর সদর দফতরের সিপাহী বদর উদ্দিন দ্বিতীয় এবং খুলনা সেক্টর সদর দফতরের সিপাহী মো. সাইফুল ইসলাম তৃতীয় স্থান অধিকার করেন।
কেরাত প্রতিযোগিতায় বান্দরবান সেক্টর সদর দফতরের মেডিকেল সহকারী সিপাহী মো জাফর আহমেদ প্রথম, বর্ডার সিকিউরিটি ব্যুরোর নায়েব সুবেদার মো. মমিনুল ইসলাম দ্বিতীয় এবং রাজশাহী সেক্টর সদর দফতরের পরিচ্ছন্নতা কর্মী মো. মেহেদী হাসান তৃতীয় স্থান অধিকার করেন। আজান ও কেরাত উভয় বিষয়ে দলীয়ভাবে মোট পয়েন্ট প্রাপ্তির ভিত্তিতে বান্দরবান সেক্টর চ্যাম্পিয়ন এবং রামু সেক্টর রানার আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। গতকাল শুক্রবার বাদ জুমা পিলখানা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার, সনদপত্র ও ট্রফি বিতরণ করেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ। এ সময় বিজিবির সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা, সৈনিক ও অসামরিক সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।