Inqilab Logo

মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৩ বৈশাখ ১৪৩১, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৫ হিজরী

আসামি শনাক্তের রুল শুনানির জন্য উঠছে এক দশক পর

সাগর-রুনি হত্যা মামলা

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৫ এপ্রিল, ২০২২, ১২:০১ এএম

সাগর-রুনি হত্যা মামলায় আসামিদের শনাক্ত নিয়ে জারিকৃত রুলের শুনানির জন্য হাইকোর্টে উত্থাপিত হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে বিচারপতি মো: মজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি আহমেদ সোহেলের ডিভিশন বেঞ্চের কার্যতালিকায় উঠেছে।

গতকাল সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন রিটের পক্ষের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে তিনি জানান, সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত সঠিকভাবে করা এবং আসামিদের আইনের আওতায় আনার জন্য ২০১২ সালে আমরা একটা রিট করেছিলাম। সেই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করেন। রুলে সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত করে আসামিদের আইনের আওতায় আনার জন্য কেন নির্দেশ দেয়া হবে না-এই মর্মে রুল জারি করা হয়েছিলো। পরে আমাদের পৃথক একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলার তদন্ত র‌্যাবের কাছে চলে যায়। সেই থেকে এখন পর্যন্ত ১০ বছরে মামলাটির চূড়ান্ত কোনো অগ্রগতি হয়নি। এখন পর্যন্ত এটি তদন্ত পর্যায়েই রয়ে গেছে। এক দশক আগে জারি করা রুলের শুনানির জন্য আমরা কোর্টে আবেদন করেছিলাম। আদালত রুল শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। আমরা চাচ্ছি, তদন্ত যেন তাড়াতাড়ি শেষ করে প্রকৃত আসামিদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির বিধান নিশ্চিত করা যায়। ১০ বছর আগে জারি করা রুলের শুনানির জন্য আমরা আজকে কোর্টে আবেদন করেছিলাম। আদালত রুল শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। মঙ্গলবার কার্যতালিকায় উঠলে মামলাটির শুনানি হবে।
প্রসঙ্গত: ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। প্রথম মামলার তদন্ত করেন শেরেবাংলা নগর থানার এক কর্মকর্তা। ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তভার পড়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো: রবিউল আলমের ওপর। দুই মাস পর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‌্যাব)। সেই থেকে ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি সংস্থাটি। সর্বশেষ গত ২৭ মার্চ এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ছিলো। কিন্তু নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি র‌্যাবের তদন্ত কর্মকর্তা। তাই ঢাকার মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী আগামী ২৬ এপ্রির প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ ধার্য করেন। এ নিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ৮৭ বার পেছালো। মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ আসামি ৮ জন। অপর আসামিরা হলেন, ভবনের নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল, তানভীর ও আবু সাঈদ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ