পটুয়াখালীর যুবক ক্বারী সাইয়্যেদ মুসতানজিদ বিল্লাহ রব্বানীর কোরআন তেলাওয়াতে মুগ্ধ যুক্তরাষ্ট্রবাসী
ইসলামি সভ্যতা ও সংস্কৃতি বিকাশে বাংলাদেশের অবদান অনস্বীকার্য। এদেশে ইসলামি সংস্কৃতি চর্চার ইতিহাস অনেক প্রাচীন।
পরিবারে শোকের মাতম
স্টাফ রিপোর্টার ঃ সউদী আরবের আল-সাহাবিয়া মল এলাকায় মঙ্গলবার বিকেলে আব্দুল হাই ও জসিম উদ্দিন নামের দুই বাংলাদেশীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার নাগমুদ গ্রামের বড় পাটোয়ারী বাড়ির বাসিন্দা তারা। নিহত আব্দুল হাই আলী আজমের ছেলে ও জসিম একইবাড়ির করিম খলিফার ছেলে। দূর প্রবাসে একসঙ্গে পরিবারের দুই সদস্যের আচমকা মৃত্যুর খবরে ভেঙে পড়েছেন স্বজনরা। আব্দুল হাইয়ের পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, তাকে হত্যার পর জসিম আত্মহত্যা করেছে। প্রবাসী স্বজনদের কাছ থেকে আব্দুল হাই ও জসিম উদ্দিনের মৃত্যুর খবর পান তাদের স্বজনরা। খবর পেয়ে পরিচিতরাও সমবেদনা জানাতে যায় নিহতদের বাড়িতে। আব্দুল হাইদের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম এ ব্যক্তিকে হারিয়ে হতবিহ্বল আবদুল হাইয়ের মা-বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা। আব্দুল হাইয়ের স্ত্রী আলেয়া বেগম বলেন, ‘সর্বশেষ বিকেল ৫টার দিকে তার সঙ্গে কথা হয়েছিল। এর একঘণ্টা পর মৃত্যুর সংবাদ পাই।’ তিনি অভিযোগ করেন সউদী আরবে জসিম, আব্দুল হাই ও চট্টগ্রামের এক লোক একসঙ্গে থাকত। দুপুরে ভাত খাওয়ার পর চট্টগ্রামের ওই লোক নামাজ আদায় করছিলেন। এসময় জসিম বাহির থেকে এসে হঠাৎ ওই ব্যক্তির মাথায় আঘাত করে। এসময় বাধা দিতে গেলে আব্দুল হাইকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে জসিম। এর আগে চট্টগ্রামের ওই লোক রক্তাক্ত অবস্থায় রুম ত্যাগ করে। তিনি এ হত্যাকা-ের বিচার দাবি করেন। আব্দুল হাইয়ের ১৪ বছর বয়সী একমাত্র ছেলে মেহেদী হাসান রাহুল জানান, ‘বাবার লাশ চাই, হত্যার বিচার চাই। আমরা ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা ঋণগ্রস্ত। এ টাকা কে দেবে এখন?’ এদিকে জসিমের ঘরে গিয়ে দেখা গেছে স্বজনদের ভিড়। আর তার স্ত্রী বিছানায় অচেতন হয়ে পড়ে আছেন। তবে জসিমের চাচাতো ভাই আব্দুল মন্নান জানান, অল্প কিছুদিন ধরে জসিম মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিল। তাই আব্দুল হাইকে হত্যা করে সে নিজেও আত্মহত্যা করেছে। জানা যায়, প্রায় ১৮ বছর ধরে আব্দুল হাই সউদী আরবে থাকেন। সর্বশেষ একমাস আগে তিনি দেশ থেকে ঘুরে যান। তবে তার পারিবারিক অবস্থা খুব একটা পরিবর্তিত হয়নি।
দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।