পটুয়াখালীর যুবক ক্বারী সাইয়্যেদ মুসতানজিদ বিল্লাহ রব্বানীর কোরআন তেলাওয়াতে মুগ্ধ যুক্তরাষ্ট্রবাসী
ইসলামি সভ্যতা ও সংস্কৃতি বিকাশে বাংলাদেশের অবদান অনস্বীকার্য। এদেশে ইসলামি সংস্কৃতি চর্চার ইতিহাস অনেক প্রাচীন।
শিক্ষাক্ষেত্রে অনবদ্য অবদানের জন্য জাতীয় প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামানকে ২০১৮ সালের খানবাহাদুর আহছানউল্লা স্বর্ণপদক প্রদানের জন্য নির্বাচন করেছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন।
ড. আনিসুজ্জামান একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, লেখক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের এমিরেটাস প্রফেসর। তিনি ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে ড. কুদরাত ই খুদাকে প্রধান করে গঠিত জাতীয় শিক্ষা কমিশনের সদস্য ছিলেন তিনি। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে তার রয়েছে অনবদ্য গবেষণা।
তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদকে ভূষিত হন। দেশের বাইরে থেকে সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি একাধিকবার পুরস্কারপ্রাপ্ত হন।
সমাজের বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত জাতীয় পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে গঠিত এগার সদস্যের একটি জুরি বোর্ড সর্বসম্মতিক্রমে ড. আনিসুজ্জামানকে এই পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। শিগগরিই এই পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর হাতে তুলে দেয়া হবে। এই পদকের মূল্যমান ২ ভরি পরিমাণ একটি স্বর্ণপদক, নগদ দুই লাখ টাকা, মনোগ্রাম সম্বলিত একটি ক্রেস্ট এবং একটি সনদপত্র।
উল্লেখ্য, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন উপমহাদেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক, সুফী সাধক, তৎকালীন জনশিক্ষা বিভাগের সহকারী পরিচালক ও ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রতিষ্ঠাতা হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা’র নামে ১৯৮৬ সাল থেকে এ পুরস্কার প্রদান করে আসছে। জাতীয় পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পর্যন্ত ২৬ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে এই স্বর্ণপদক দেয়া হয়েছে।
দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।