পটুয়াখালীর যুবক ক্বারী সাইয়্যেদ মুসতানজিদ বিল্লাহ রব্বানীর কোরআন তেলাওয়াতে মুগ্ধ যুক্তরাষ্ট্রবাসী
ইসলামি সভ্যতা ও সংস্কৃতি বিকাশে বাংলাদেশের অবদান অনস্বীকার্য। এদেশে ইসলামি সংস্কৃতি চর্চার ইতিহাস অনেক প্রাচীন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা বলেছেন, আইনি অনুমোদনের উপর ইভিএম ব্যবহারের বিষয়টি নির্ভর করছে। বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের হাতে ২’শর বেশী ইভিএম রয়েছে। এই মুহুর্তে ইভিএম ক্রয় করে নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। তিনি আরো বলেন, সুষ্ঠু, ত্রু টিমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে যারা বাধা সৃষ্টি করতে পারে তাদেরকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪ টায় দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিজিবি, র্যাব, আনসার বাহিনীর সদস্য এবং তার অধীনস্থ নির্বাচন কমিশনের জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয় বৈঠকে ইনকিলাবের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। বৈঠকে প্রাপ্ত মতামত পর্যালোচনা করে মাঠ পর্যায়ে যারা ভোট গ্রহণের দায়িত্বে এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন তাদের চাহিদা অনুযায়ী নির্বাচন সংক্রান্ত সব ধরনের উপকরণ সরবরাহ ও সহায়তা প্রদানের কোন ত্রু টি থাকবে না। একজন ভোটার তার বাড়ী থেকে বের হয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণভাবে যাতে ভোট দিয়ে পুনরায় বাড়ী ফিরে আসতে পারে সেভাবেই শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে। নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের ভোট গ্রহণের সময় কোন অবহেলা ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোন ধরনের অনিয়ম ও গাফিলতি সহ্য করা হবে না।
কেএম নুরুল হুদা আরো বলেন, নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলির সাথে আলোচনার আর কোন সুযোগ নেই। সাংবিধানিক বাধ্যবাদকতার কারনেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য কমিশন সকল প্রস্তুতি গ্রহন করছে। তিনি বলেন, জনগন ও রাজনৈতিক দলগুলি চাইলে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। এজন্য আগামীতে জেলা ও উপজেলায় অনুষ্ঠিত উন্নয়ন মেলায় নির্বাচন কমিশনের স্টল থেকে ভোটারদের ইভিএম ব্যবহারে ভোট দেয়ার পদ্ধতি শেখানো হবে।
দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক ড. আ ন ম আবদুছ ছবুরের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব খন্দকার মিজানুর রহমান, পুলিশ সুপার সৈয়দ আবু সায়েম, দিনাজপুর বিজিবি ব্যাটালিয়ন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল মোর্শেদুর রহমান, র্যাব ১৩ ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সোহেল হোসেন, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা (রংপুর) জিএম সাহাদাম হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ, সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুশান্ত সরকার, ভারপ্রাপ্ত আনসার এ্যাডজুটেনন্ট মোতালেব হোসেন, ডিজিএফআই’র উপ-পরিচালক জুলফিকার রহমান, এনএসআই উপ-পরিচালক মঞ্জুরুল ইসলাম মামুন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদ ইবনে ফজল প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।
দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।